তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার: বইমেলায় আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি উৎসবের ঘোষণা!
আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাহিত্যিক ও প্রকাশকদের নিয়ে আয়োজিত হবে আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি উৎসব।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার অমর একুশে বইমেলাকে কেন্দ্র করে এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী বছরগুলোতে বইমেলাকে কেবল জাতীয় পর্যায় নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেলা প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ 'আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি উৎসব' আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে, যেখানে বিদেশি লেখকদের অংশগ্রহণে মুখরিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ।
বইমেলার এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথিতযশা সাহিত্যিকদের হাতে 'জাতীয় সাহিত্য পুরস্কার' তুলে দেন। এ সময় তিনি তার বক্তৃতায় সাহিত্যিকদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন এবং বলেন যে, একটি জাতির মূল শক্তি হলো তার সংস্কৃতি ও ভাষা। নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে সরকারিভাবে প্রতিটি জেলায় ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি এবং ডিজিটাল লাইব্রেরি স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাহিত্যিক ও প্রকাশকরা এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বইমেলা নিয়ে গেলে বাংলা সাহিত্য অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে পড়বে। সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপ বাংলাদেশের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বইমেলার সময়সীমা বৃদ্ধি এবং আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা প্রদানের আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের গৃহীত মূল পদক্ষেপসমূহ:
- বইমেলায় আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়ন ও বিদেশি লেখকদের আমন্ত্রণ।
- সাহিত্যিকদের জন্য বার্ষিক সম্মানি ও পুরস্কারের পরিধি বৃদ্ধি।
- বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে নিতে অনুবাদের জন্য বিশেষ ফান্ড।
- মেলা প্রাঙ্গণে আধুনিক নিরাপত্তা ও উন্নত পাঠক সেবা নিশ্চিতকরণ।