দেশের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানাগুলো দ্রুত সচল করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্মকর্তাদের এই বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশের যে সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান আইনি জটিলতা বা পুঁজির অভাবে বন্ধ রয়েছে, সেগুলোর সমস্যা সমাধানে সরকারকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে পাটকল, বস্ত্রকল এবং চামড়া শিল্পকে পুনরায় লাভজনক করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বেকারত্ব দূর করা এবং দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি করে আমদানিনির্ভরতা কমানো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, "একটি কারখানা বন্ধ থাকা মানে শুধু উৎপাদন বন্ধ হওয়া নয়, এর সাথে হাজারো শ্রমিকের জীবিকা জড়িয়ে থাকে।" তিনি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে যোগ্য উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ঋণ পায় এবং দীর্ঘস্থায়ী ঋণগুলো পুনঃতফসিল করার সুযোগ দেওয়া হয়। আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করে বন্ধ কলকারখানাগুলোর তালিকা তৈরি ও চালুর কার্যক্রম শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। এই পদক্ষেপে দেশের শিল্প খাতের আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।