ডলারের রেট কমছে নাকি বাড়ছে? সর্বশেষ আপডেট ও বাজার পরিস্থিতি জানুন
২০২৬ সালের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে এক ধরনের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে ডলারের দামে বড় কোনো উল্লম্ফন না থাকলেও খোলা বাজার বা কার্ব মার্কেটে দাম কিছুটা উঠানামা করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কড়াকড়ি এবং ক্রলিং পেগ পদ্ধতির কার্যকর ব্যবহারের ফলে ডলারের বিনিময় হার এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত।
রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্সের ফলে ডলারের সরবরাহ বাজারে বেড়েছে। এতে আমদানিকারকদের এলসি (LC) খোলার ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের ইনডেক্স এবং বিশ্ব রাজনীতির প্রভাবের কারণে স্থানীয় বাজারে টাকার মানে কিছুটা চাপ এখনও অব্যাহত রয়েছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক থাকলে সামনের দিনগুলোতে টাকার মান আরও শক্তিশালী হতে পারে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, হুন্ডি বন্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রণোদনা ডলারের বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা বা বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়লে আবারও ডলারের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে ডলারের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক অনেকটা কমেছে। নিয়মিত আপডেট রাখা এবং বৈধ পথে লেনদেন করাই এখন বুদ্ধিমানের কাজ।
বাজারের ৩টি মূল পর্যবেক্ষণ:
- ব্যাংকিং ও খোলা বাজারের ব্যবধান ৩ টাকার নিচে নেমেছে।
- রেমিট্যান্স প্রবাহ গত বছরের তুলনায় ১৮% বেড়েছে।
- আমদানি দায় মেটানোর ক্ষমতা ৫ মাস ছাড়িয়েছে।