“মুমিনের অবস্থা কতই না চমৎকার! তার প্রতিটি কাজই কল্যাণকর। সুখে থাকলে সে শুকরিয়া আদায় করে, আর বিপদে পড়লে ধৈর্য ধারণ করে; যা তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৯৯৯জীবনের চড়াই-উতরাই মুমিনের ঈমানি পরীক্ষার অংশ। সহিহ মুসলিম শরীফের এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) মুমিনের এক অনন্য বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছেন। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে বিপদ মানেই হতাশা, কিন্তু মুমিনের কাছে বিপদ মানে ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে পুরস্কার প্রাপ্তির সুযোগ। সুখের সময় কৃতজ্ঞতা এবং দুঃখের সময় ধৈর্য—এই দুইয়ের সংমিশ্রণ মুমিনকে অপরাজেয় করে তোলে।
ধৈর্য কেবল দুঃখ সহ্য করার নাম নয়, বরং তা হলো বিপদের মুহূর্তে অভিযোগ না করে আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। বিপদে বিচলিত না হয়ে যখন একজন বান্দা আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তখন তার অন্তরে প্রশান্তি নেমে আসে। এই বিশ্বাসই একজন মুমিনকে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর শক্তি যোগায়। জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিই আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য নিয়ামত বা পরীক্ষা।